April 17, 2026, 7:58 am
শিরোনাম :
ক্যাম্পের সাব মাঝির বিরুদ্ধে অপহরণ-মুক্তিপণ, সেল্টার বাণিজ্য ও মানবপাচারের অভিযোগ উখিয়ার ১৪ নম্বর ক্যাম্পে আজিজুর রহমানকে ঘিরে ক্ষোভ, তদন্তে প্রশাসন ইসলাম গ্রহণের পর নিখোঁজ কলেজছাত্রী জারা: ‘আমাকে উদ্ধার করুন, ভারতে পাচার করতে পারে’—বার্তার পর নিখোঁজ মিয়ানমারে ৭৮ লাখ ইয়াবা জব্দ: বাংলাদেশে পাচারের টার্গেট, নেপথ্যে RSO জড়িতের অভিযোগ নরসিংদীতে ২২ বছর পর গঠিত ছাত্রদল কমিটির সভাপতি বিবাহিত অভিযোগে সড়কে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘর ভাঙা ঘিরে তাণ্ডব, মোবাইল কেড়ে নিতে গিয়ে নারীর শরীরে হাত—সিআইসির বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ হাম ফিরে আসছে নীরবে: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নতুন প্রজন্ম নব মুসলিম মায়ের বুক খালি করে নেওয়া শিশু ফিরল কোলে—মানবিক উদ্যোগে শেষ হলো দেড় মাসের কান্না দৈনিক ‘আমাদের কক্সবাজার’ এর মফস্বল সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মোঃ ওসমান গনি ইলি রামুতে রাতে দুই যুবক তুলে নিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, বনবিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পাহাড়ি জীবনের ঐতিহ্য: লাউ থেকে তৈরি প্রাকৃতিক পানির কলসি

জর্ডানে পাওনা টাকা দিয়ে জনি মিয়াকে দ্রুত দেশে ফেরানোর আকুতি পরিবারের

স্বপ্না শিমু - স্টাফ রিপোর্টার জর্ডান

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার, জর্ডান থেকেঃ।  ২৮ নভেম্বর ২০২৫

জর্ডানের আলতা জুমা নুর আল ইসলাম কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশি গার্মেন্টস শ্রমিক জনি মিয়া-তার জীবনের গল্প আজ এক নিঃশব্দ কান্নার প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন ভরা হৃদয় নিয়ে তিনি বিদেশের পথে পা বাড়িয়েছিলেন পরিবারকে একটু স্বস্তি দেওয়ার আশায়। কিন্তু বাস্তবতা তার সেই স্বপ্নকে নির্মমভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।

দূর দেশে কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ সময় কাজ, আবার কখনও বেতন না পাওয়া-সব মিলিয়ে জনি মিয়ার জীবন হয়ে উঠেছে অসহায় সংগ্রামের নাম। অথচ তার পেছনে থাকা পরিবারটি আজ আরও কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন। অভাব, ঋণের বোঝা, অসুস্থ বাবা-মা, সব মিলিয়ে দিনগুলো কাটছে এক অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। জনি মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানের একটাই দাবি, ওর সব বকেয়া টাকা দিয়ে তাকে যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। তারা আর চায় না জনি বিদেশে কষ্ট করে রাত কাটাক, তারা শুধু চায়- স্বামী-ছেলের মুখটা নিরাপদে দেশে ফিরে দেখতে। পরিবারের আহাজারি যেন শোনার কেউ নেই। দোয়ার হাত তুলে আছে তার মা-বাবা, খালি চোখে তাকিয়ে আছে ছোট্ট সন্তান। জীবনের দায় যেন আজ তাদের বুক চেপে বসেছে।

জনি মিয়ার এই প্রবাসজীবনের বেদনা শুধু তার পরিবারের নয়-এ যেন হাজারো স্বপ্নভঙ্গ মানুষের করুণ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি আকুল আবেদন-জনি মিয়াকে তার সমস্ত পাওনা বুঝিয়ে দ্রুত দেশে ফিরতে সাহায্য করা হোক। হয়তো একটি পরিবারের কান্না থেমে যাবে, ফিরে আসবে স্বস্তির নিঃশ্বাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা