June 3, 2026, 6:35 am
শিরোনাম :
টেকনাফ টেলিভিশন জার্নালিস্ট সোসাইটির আহ্বায়ক কমিটি গঠিত: আহ্বায়ক আকাশ, সদস্য সচিব সোহেল জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত, আতঙ্কে ঘুমধুম সীমান্তবাসী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের রক্তপাত: ১৮ ঘণ্টায় নিহত ২ নেতা, আধিপত্য বিস্তার ও ‘টার্গেট কিলিং’ আতঙ্কে উখিয়া-টেকনাফ নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি; লামা-আলীকদমে নওমুসলিম সর্বস্তরের মানুষের মানববন্ধন বৃষ্টিভেজা মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে প্রধানমন্ত্রী—ভাইরাল ছবিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় ‎উখিয়ার বর্জ্য সংকট নিরসনে এমপি বরাবর বিডি ক্লিনের স্মারকলিপি উখিয়ায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালী  ও সমাবেশ কুতুপালং ক্যাম্পে পানিতে ভাসছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় অজানা  মাহবুব আলম মিনার | ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মংডো-বুথিডংয়ে টানা তিন সংঘর্ষ, আরসা-এএ লড়াই তীব্র তিন দিনে তিন দফা সংঘর্ষের দাবি; হতাহতের তথ্য নিয়ে ধোঁয়াশা

Reporter Name

মাহবুব আলম মিনার। ২৪ মার্চ ২০২৬

মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের উত্তর মংডো ও বুথিডং টাউনশিপে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও আরাকান আর্মি (এএ)-এর মধ্যে টানা তিন দিনে অন্তত তিনটি তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আরএফআর নিউজের এক প্রতিবেদনে আরসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে এসব ঘটনার স্বতন্ত্র কোনো যাচাই পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২২ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত বুথিডং টাউনশিপের গুফি গ্রামের উপত্যকা, উত্তর মংডোর সিন থে পিন গ্রাম এবং এনগার ইয়ান্ত চাউং এলাকার উপত্যকায় এসব সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
আরসা সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ২২ মার্চ সকালে বুথিডংয়ের গুফি গ্রামের উপত্যকায় প্রথম সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। আরসার দাবি, এ সংঘর্ষে এএ-এর অন্তত ১০ জন সদস্য নিহত এবং আরও ৫ জন গুরুতর আহত হন।
পরদিন ২৩ মার্চ দুপুরে উত্তর মংডোর সিন থে পিন গ্রামের কাছে দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষ হয়। এতে আরসা যোদ্ধারা বিভিন্ন ধরনের ভারী ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে এএ-এর দুটি আউটপোস্টে হামলা চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী এ সংঘর্ষে এএ-এর অন্তত ১৪ জন সদস্য নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন পালিয়ে যান বলে জানানো হয়।
এছাড়া ২৪ মার্চ বিকেলে উত্তর মংডোর এনগার ইয়ান্ত চাউং এলাকায় তৃতীয় দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী এ লড়াইয়ে এএ-এর আরও ৬ জন সদস্য নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আরসা।
তবে এসব সংঘর্ষে আরসার কোনো সদস্য হতাহত হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় সূত্র বা স্বাধীন কোনো পর্যবেক্ষক সংস্থার পক্ষ থেকে এসব হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতপূর্ণ এসব এলাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হওয়ায় উভয় পক্ষের দাবির ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন (আরাকান) রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে, যার প্রভাব স্থানীয় বেসামরিক জনগণের ওপরও পড়ছে। তবে রোহিঙ্গাদের দাবী তার তাদের জন্মভূমি ফিরে পেতে লড়াই চালিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা