স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার, জর্ডান থেকেঃ। ২৮ নভেম্বর ২০২৫
জর্ডানের আলতা জুমা নুর আল ইসলাম কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশি গার্মেন্টস শ্রমিক জনি মিয়া-তার জীবনের গল্প আজ এক নিঃশব্দ কান্নার প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন ভরা হৃদয় নিয়ে তিনি বিদেশের পথে পা বাড়িয়েছিলেন পরিবারকে একটু স্বস্তি দেওয়ার আশায়। কিন্তু বাস্তবতা তার সেই স্বপ্নকে নির্মমভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।
দূর দেশে কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ সময় কাজ, আবার কখনও বেতন না পাওয়া-সব মিলিয়ে জনি মিয়ার জীবন হয়ে উঠেছে অসহায় সংগ্রামের নাম। অথচ তার পেছনে থাকা পরিবারটি আজ আরও কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন। অভাব, ঋণের বোঝা, অসুস্থ বাবা-মা, সব মিলিয়ে দিনগুলো কাটছে এক অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। জনি মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানের একটাই দাবি, ওর সব বকেয়া টাকা দিয়ে তাকে যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। তারা আর চায় না জনি বিদেশে কষ্ট করে রাত কাটাক, তারা শুধু চায়- স্বামী-ছেলের মুখটা নিরাপদে দেশে ফিরে দেখতে। পরিবারের আহাজারি যেন শোনার কেউ নেই। দোয়ার হাত তুলে আছে তার মা-বাবা, খালি চোখে তাকিয়ে আছে ছোট্ট সন্তান। জীবনের দায় যেন আজ তাদের বুক চেপে বসেছে।
জনি মিয়ার এই প্রবাসজীবনের বেদনা শুধু তার পরিবারের নয়-এ যেন হাজারো স্বপ্নভঙ্গ মানুষের করুণ বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি আকুল আবেদন-জনি মিয়াকে তার সমস্ত পাওনা বুঝিয়ে দ্রুত দেশে ফিরতে সাহায্য করা হোক। হয়তো একটি পরিবারের কান্না থেমে যাবে, ফিরে আসবে স্বস্তির নিঃশ্বাস।