মাহবুব আলম মিনার। ১৫ নভেম্বর ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারী ছাত্র নেতা সাহাব উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী তাঁর জন্মভূমি কক্সবাজারের চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, পিছিয়ে পড়া চৌফলদন্ডীকে উন্নয়নের ধারায় ফিরিয়ে আনা এবং তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরিই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য।
সাহাব উদ্দিন বলেন, অ্যাডভোকেট এম. আলাউদ্দিন রবিনের পরামর্শে তিনি শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীতে একটি আধুনিক লবণ কারখানা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
উপদেষ্টা জানতে চান— লবণ কারখানার জন্য উপযুক্ত সরকারি জায়গা রয়েছে কি না। জবাবে সাহাব উদ্দিন জানান, বেসিকের আওতায় থাকা জমি আগের সরকারের সময় পরিকল্পিত ছিল এবং তিনি প্রস্তাব দেন বঙ্গবন্ধু লবণ ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে জনগণের স্বার্থে নতুন করে “লবণ ইনস্টিটিউট” স্থাপন করার।
তিনি জানান, তাঁর প্রস্তাব আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন উপদেষ্টা মহোদয়। পরে অল্প সময়ের মধ্যেই উপদেষ্টা আদিলুর রহমান কক্সবাজার সফরের সিদ্ধান্ত নেন। সফরের সঙ্গে ছিলেন শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, বেসিক চেয়ারম্যান ও বর্তমান কউক চেয়ারম্যান সালাউদ্দিনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পর্যায়ক্রমে লবণ ইনস্টিটিউট প্রকল্পের বাজেট ১৫০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।
সাহাব উদ্দিন আশা প্রকাশ করে বলেন, “সবকিছু পরিকল্পনামাফিক হলে খুব শিগগিরই লবণ ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এতে চৌফলদন্ডীর প্রায় ৪৫ হাজার মানুষের ভাগ্য বদলে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, লবণচাষিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ নিয়েও তিনি শিল্প সচিব ও বেসিক চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছেন। চৌফলদন্ডীর মানুষের উন্নতির স্বার্থেই নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম ব্যয় করছেন বলে জানান তিনি।
বিবৃতির শেষে তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন