June 3, 2026, 8:43 am
শিরোনাম :
টেকনাফ টেলিভিশন জার্নালিস্ট সোসাইটির আহ্বায়ক কমিটি গঠিত: আহ্বায়ক আকাশ, সদস্য সচিব সোহেল জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত, আতঙ্কে ঘুমধুম সীমান্তবাসী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের রক্তপাত: ১৮ ঘণ্টায় নিহত ২ নেতা, আধিপত্য বিস্তার ও ‘টার্গেট কিলিং’ আতঙ্কে উখিয়া-টেকনাফ নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি; লামা-আলীকদমে নওমুসলিম সর্বস্তরের মানুষের মানববন্ধন বৃষ্টিভেজা মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে প্রধানমন্ত্রী—ভাইরাল ছবিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় ‎উখিয়ার বর্জ্য সংকট নিরসনে এমপি বরাবর বিডি ক্লিনের স্মারকলিপি উখিয়ায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালী  ও সমাবেশ কুতুপালং ক্যাম্পে পানিতে ভাসছিল নারীর মরদেহ, পরিচয় অজানা  মাহবুব আলম মিনার | ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মাহবুব আলম মিনার

২০ অক্টোবর ২০২৫

বিশ্লেষণে – মাহবুব আলম মিনার – খসড়া লেখক -মো: আবু তৈয়ব
রোহিঙ্গা নেতা ও সমাজকর্মী মোঃ আবু তৈয়ব বলেছেন, বহু বছরের নির্যাতন ও নিপীড়ন সত্ত্বেও রোহিঙ্গারা শান্তিপ্রিয় ও উদার মনোভাব বজায় রেখেছে; তারা আজও বাংলাদেশবাসীর সহায়তা ভুলবে না এবং একদিন স্বাধীন আরকানে স্বাধীন ও নিরাপদভাবে বসবাসের স্বপ্ন পূরণ করবে।

মুখ্য খবর: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কাছে নিজস্ব পরিচয়ের কারণে দীর্ঘ বছর ধরে বৈষম্য, নিপীড়ন ও সহিংসতার শিকার হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ইতিহাসভিত্তিক নির্যাতন ও ২০১২ সালের পর থেকে সংঘটিত হিংসাত্মক ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গারা বুঝতে পেরেছেন যে তাদের সরলতা ও সহনশীলতাকে কয়েকটি সহিংস জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন নিরবে এসব অত্যাচার সহ্য করেছে; তারা কখনো সংঘর্ষের আশ্রয় নেয়নি এবং বারবার বলেছে—“আমরা মায়ানমারের নাগরিক, আমরা সবাই মিলে বসবাস করতে চাই।”

মোঃ আবু তৈয়ব তার বিবৃতিতে বলেন, “হাজারো নির্যাতন ও নিপীড়নের পরও আমরা সফলতার পথে এগোচ্ছি। আমরা সবার কাছে দোয়া চাই যেন দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং আমাদের উপর ঘটে যাওয়া নির্যাতন-নিরীহতার প্রতিকার পাওয়া যায়।” তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশ আমাদের জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে; বাংলাদেশের মানুষের সহযোগিতা আমরা কখনো ভুলব না—বাংলাদেশ আমাদের চিরস্থায়ী বন্ধু, প্রতিবেশী ও এক পরিবারের মতো হয়ে থাকবে।”

বক্তব্য ও প্রতিশ্রুতি: রোহিঙ্গা নেতারা প্রকাশ্যে অনুরোধ করেছেন—যারা তাদের বিপদের সময় পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা তারা চিরকাল স্মরণ করবে। ভবিষ্যতে স্বাধীন আরকান প্রতিষ্ঠার পর রোহিঙ্গারা আশ্বাস দিয়েছেন যে তারা বাংলাদেশকে কোনও ধরনের হুমকি তৈরি হতে দেবে না এবং বাংলাদেশের সীমানায় কোনো অপকর্ম বা নিরাপত্তা হুমকি চলতে দেয়া হবে না।

পটভূমি: রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মায়ানমারের অন্যতম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী; গত কয়েক দশকে তাদের উপর বৈষম্য ও সহিংসতার অভিযোগ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও অধিকার সংস্থাগুলোতে উঠে এসেছে। ২০১২ সালের পর থেকে বিশেষ করে সংঘর্ষ ও জোরপূর্বক তত্ত্বাবধান-পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের জীবন ও অধিকারকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে—যা নিয়ে রোহিঙ্গা নেতৃবৃন্দ এবং নাগরিক সমাজ বিচার ও পুনর্বাসনের দাবি করে আসছেন।

শেষকথা: মোঃ আবু তৈয়ব বলেন, “আজ না হয় কাল—ইনশাআল্লাহ—আমরা একটি স্বাধীন দেশে ফিরে বসবাস করবো। তখনই আমরা নিজেদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের সন্মান রক্ষা করবো।” তিনি সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনার পাশাপাশি ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাও প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা