মাহবুব আলম মিনার – ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ইং
কক্সবাজারের টেকনাফ–উখিয়া উপকূলীয় এলাকার শিক্ষাঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে এক অনন্য মানবিক দৃশ্য। স্কুলের টিফিনের টাকা জমিয়ে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু আলভির পাশে দাঁড়িয়েছে শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুধু তারাই নয়—প্রধান শিক্ষক জনাব এম. এ. মঞ্জুর–এর তত্ত্বাবধানে বেগম লায়লা–নূর আদর্শ বালিকা আলিম মাদ্রাসা এবং আল আরাফাহ মডেল একাডেমির ছাত্রছাত্রীদেরও অংশগ্রহণে এই সাহায্যের হাত আরও বিস্তৃত হয়েছে। ছোট ছোট হাতের এই দান আজ হয়ে উঠেছে বড় একটি আশার আলো।
শিশু আলভি ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, অবিরাম তিন বছরের চিকিৎসা পেলে আলভি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। ইতিমধ্যে তার দুই বছরের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে। সামনে রয়েছে আর মাত্র এক বছরের ব্যয়বহুল চিকিৎসা। এই অংশটাই এখন সবচেয়ে কঠিন। কারণ গরিব পরিবারের পক্ষে এই ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব।
তবুও আলভির মা–বাবার মুখে আজ একটুখানি স্বস্তির হাসি—কারণ এলাকার শিক্ষার্থীরা নিজেদের টিফিনের টাকা, সঞ্চয়ের টাকা, কেউ বা নিজের পকেটমানিই দিয়ে আলভির জীবন বাঁচাতে হাত বাড়িয়েছে। তাদের এই মানবিক দৃষ্টান্ত সমাজে নতুন বার্তা দিয়েছে—মানবতা বয়স দেখে না, হৃদয় দেখে।
আলভির মা সেলিনা বলেন,
“আমার সন্তানকে বাঁচাতে যখন সব পথ প্রায় বন্ধ হয়ে আসছিল, তখন এই স্কুল–মাদ্রাসার বাচ্চারাই আলোর পথ দেখিয়েছে। দোয়া করি, তাদের সবার জীবন আল্লাহ সুখে ভরিয়ে দিন।”
ফুটফুটে শিশুটিকে আবার হাসিখুশি দেখতে চাইলে, সমাজের সবাই যদি একটু করে পাশে দাঁড়ায়—তাহলেই আলভির চিকিৎসার শেষ বছরটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
আলভির সহায়তায় যোগাযোগ ও পাঠানোর নম্বর:
➡ +8801831816362 (নগদ/বিকাশ) — আলভির মা সেলিনা বেগমের নাম্বার।
আসুন, শিশুটিকে দোয়া করি—আর যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াই। আলভির একটি বছর চিকিৎসাই পারে তাকে নতুন জীবন উপহার দিতে।