২৭ নভেম্বর ২০২৫। মাহবুব আলম মিনার সম্পাদক আই টি এন নিউজ
ধর্মীয় মূল্যবোধ বিকৃত করার অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আবুল সরকার ওরফে ‘বাউল আবুল’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার সাম্প্রতিক মন্তব্য ও ভিডিও নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় ধর্মপ্রাণ জনগণ, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল রাষ্ট্রীয়ভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
প্রকাশিত ভিডিওতে ধর্মীয় শব্দের বিকৃতি ও সৃষ্টিকর্তাকে অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এসব মন্তব্য সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে বলে বিভিন্ন মহল দাবি করছে। ফলে সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ধর্মীয় নেতারা বলছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও কোনো ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ, বিশ্বাস বা সৃষ্টিকর্তাকে অবমাননার অধিকার কারও নেই। তারা অভিযোগ করেন—এ ধরনের বক্তব্য ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানি সৃষ্টি করে এবং সামাজিক শান্তি বিঘ্নিত করতে সক্ষম।
সাংবাদিক মহলও বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, উস্কানিমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে তা সমাজে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, যা কোনোভাবেই বরদাস্তযোগ্য নয়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, প্রকাশিত ভিডিও ও বক্তব্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ প্রযোজ্য ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে আইন হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলেন, “ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত করা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালতই যথাযথ শাস্তি নির্ধারণ করবে।”
সচেতন মহল মনে করছে—ধর্ম, সমাজ ও জাতীয় সম্প্রীতি রক্ষায় এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের বিকৃত ও উসকানিমূলক বক্তব্য আর কেউ দিতে সাহস না পায়, সেদিকেও নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।