June 5, 2026, 4:45 pm
শিরোনাম :
আরও একটি ঈদুল আযহা কেটে গেল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিমুখী করতে সচেতনতায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, প্রশংসিত সিআইসি আরাফাতুল আলম টেকনাফ টেলিভিশন জার্নালিস্ট সোসাইটির আহ্বায়ক কমিটি গঠিত: আহ্বায়ক আকাশ, সদস্য সচিব সোহেল জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত, আতঙ্কে ঘুমধুম সীমান্তবাসী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের রক্তপাত: ১৮ ঘণ্টায় নিহত ২ নেতা, আধিপত্য বিস্তার ও ‘টার্গেট কিলিং’ আতঙ্কে উখিয়া-টেকনাফ নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি; লামা-আলীকদমে নওমুসলিম সর্বস্তরের মানুষের মানববন্ধন বৃষ্টিভেজা মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে প্রধানমন্ত্রী—ভাইরাল ছবিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় ‎উখিয়ার বর্জ্য সংকট নিরসনে এমপি বরাবর বিডি ক্লিনের স্মারকলিপি

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর কলেজছাত্রী জারা নিখোঁজ, মা-বাবার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ

Reporter Name

মাহবুব আলম মিনার । ১৬ এপ্রিল ২০২৬ কক্সবাজার

ঈদগাঁহ জাগিরপাড়া (হিন্দুপাড়া) এলাকার বাসিন্দা সনজিত কুমার দে’র মেয়ে, চট্টগ্রামের হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের দর্শন বিভাগের ছাত্রী আয়েশা সিদ্দিকা জারা (পূর্বনাম তন্নী দে বিপন্না) ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার মা-বাবা ও স্বজনদের বিরুদ্ধে তাকে গুম করে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার বাদী শহিদুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে জারা তাকে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে উদ্ধারের আকুতি জানান। পরে তিনি জারাকে আশ্রয় দেওয়া অভিভাবক হিসেবে ঈদগাহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারায় মিস মামলা নং-৪০/২০২৬ দায়ের করা হয়।
আদালত গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জারাকে উদ্ধার করে আদালতে হাজির করা এবং তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ এপ্রিলের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঈদগাহ থানার উপ-পরিদর্শক অচিন্ত কুমার দে তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় তথ্য, পুলিশের গোপন অনুসন্ধান, কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর)সহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে জারাকে তার মা-বাবাই নিখোঁজ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া গেছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কারণে আগে থেকেই তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে গুম করে রাখা হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
পুলিশ একাধিকবার সনজিত কুমার দে’র বাড়িতে অভিযান চালালেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ সময় সনজিত কুমার দে ও তার স্ত্রী তাপশী দে আত্মগোপনে চলে যান বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, জারা বর্তমানে জীবিত আছেন কিনা—তা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা