June 5, 2026, 5:28 pm
শিরোনাম :
আরও একটি ঈদুল আযহা কেটে গেল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিমুখী করতে সচেতনতায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, প্রশংসিত সিআইসি আরাফাতুল আলম টেকনাফ টেলিভিশন জার্নালিস্ট সোসাইটির আহ্বায়ক কমিটি গঠিত: আহ্বায়ক আকাশ, সদস্য সচিব সোহেল জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ জামিনে বেরিয়েই আবারও আটক শাহীন ডাকাত — সীমান্তে নতুন আতঙ্ক, আরাকান আর্মির চোরাচালান সিন্ডিকেটে গোপন যোগসাজশের অভিযোগ সীমান্তে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত, আতঙ্কে ঘুমধুম সীমান্তবাসী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের রক্তপাত: ১৮ ঘণ্টায় নিহত ২ নেতা, আধিপত্য বিস্তার ও ‘টার্গেট কিলিং’ আতঙ্কে উখিয়া-টেকনাফ নেত্র নিউজের প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি; লামা-আলীকদমে নওমুসলিম সর্বস্তরের মানুষের মানববন্ধন বৃষ্টিভেজা মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে প্রধানমন্ত্রী—ভাইরাল ছবিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় ‎উখিয়ার বর্জ্য সংকট নিরসনে এমপি বরাবর বিডি ক্লিনের স্মারকলিপি

রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিমুখী করতে সচেতনতায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, প্রশংসিত সিআইসি আরাফাতুল আলম

Reporter Name

মাহবুব আলম মিনার ।  ৫ জুন ২০২৬ শুক্রবার

রোহিঙ্গাদের মধ্যে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা, সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৯ ও ১০-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) আরাফাতুল আলম। নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা, মতবিনিময় এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রতি অনুরাগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এসব সচেতনতামূলক সভায় যুবক-যুবতী, প্রবীণ নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার রোহিঙ্গারা অংশ নেন। সভাগুলোতে নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয় ধারণের গুরুত্ব, ক্যাম্পে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং ভবিষ্যতে মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনায় সিআইসি আরাফাতুল আলম রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এবং একসময় নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি ধরে রাখতে হবে। তিনি ক্যাম্পবাসীদের পারস্পরিক বিরোধ ও সংঘাত এড়িয়ে মিলেমিশে বসবাস করার পাশাপাশি নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।
ক্যাম্পবাসীদের দাবি, এসব আলোচনার ফলে অনেকের মধ্যে জন্মভূমির প্রতি আগ্রহ ও প্রত্যাবাসন বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিষয়েও সচেতনতা বেড়েছে।
ক্যাম্প-১০-এর বাসিন্দা ও একটি হেফজখানার শিক্ষক হাফেজ মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, “সিআইসি আরাফাতুল আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্যাম্প-৯ ও ১০-এর বাসিন্দাদের মধ্যে নিজ দেশের প্রতি আগ্রহ ও ভালোবাসা বেড়েছে। বিভিন্ন সচেতনতামূলক আলোচনার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ঝগড়া-বিবাদও কমেছে। তার বক্তব্য মানুষের মধ্যে আশা ও ইতিবাচক চিন্তা তৈরি করে।”
তিনি আরও বলেন, “সিআইসি আরাফাতুল আলম অনেক সময় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায়ও কথা বলেন, ফলে রোহিঙ্গারা তার বক্তব্য সহজে বুঝতে পারেন এবং আলোচনায় বেশি সম্পৃক্ত হন।”
বর্তমানে ক্যাম্প-৯, ১০ ও ১১-এর দায়িত্ব পালনকারী সিআইসি আরাফাতুল আলম প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রোহিঙ্গাদের মধ্যে ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রত্যাবাসন-উপযোগী মানসিকতা তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা