April 19, 2026, 1:18 pm
শিরোনাম :
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর কলেজছাত্রী জারা নিখোঁজ, মা-বাবার বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ মহেশখালীতে বিজয় দিবস ট্রফির ১০ম আসর, লামার মঈদুল ফাহাদ টুর্নামেন্ট সেরা ক্যাম্পের সাব মাঝির বিরুদ্ধে অপহরণ-মুক্তিপণ, সেল্টার বাণিজ্য ও মানবপাচারের অভিযোগ উখিয়ার ১৪ নম্বর ক্যাম্পে আজিজুর রহমানকে ঘিরে ক্ষোভ, তদন্তে প্রশাসন ইসলাম গ্রহণের পর নিখোঁজ কলেজছাত্রী জারা: ‘আমাকে উদ্ধার করুন, ভারতে পাচার করতে পারে’—বার্তার পর নিখোঁজ মিয়ানমারে ৭৮ লাখ ইয়াবা জব্দ: বাংলাদেশে পাচারের টার্গেট, নেপথ্যে RSO জড়িতের অভিযোগ নরসিংদীতে ২২ বছর পর গঠিত ছাত্রদল কমিটির সভাপতি বিবাহিত অভিযোগে সড়কে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘর ভাঙা ঘিরে তাণ্ডব, মোবাইল কেড়ে নিতে গিয়ে নারীর শরীরে হাত—সিআইসির বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ হাম ফিরে আসছে নীরবে: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নতুন প্রজন্ম নব মুসলিম মায়ের বুক খালি করে নেওয়া শিশু ফিরল কোলে—মানবিক উদ্যোগে শেষ হলো দেড় মাসের কান্না দৈনিক ‘আমাদের কক্সবাজার’ এর মফস্বল সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মোঃ ওসমান গনি ইলি

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত অস্ট্রিয়ার অত্যাধুনিক S-100 ড্রোন

Reporter Name

২১ নভেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রিয়ার নির্মিত অত্যাধুনিক Schiebel Camcopter S-100 হেলিকপ্টার ড্রোন। সমুদ্র এলাকায় মেরিটাইম সার্ভেইল্যান্স ও রিকোনেইসেন্স সক্ষমতা বাড়াতে এসব আধুনিক ড্রোন সংযোজনকে নৌবাহিনীর বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

S-100 ড্রোনগুলো সর্বোচ্চ ২০০ কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে টহল দিতে সক্ষম। প্রায় ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় টানা ছয় ঘণ্টা আকাশে থেকে নজরদারি চালাতে পারে এই হাই-এন্ড ইউএভি। বিশেষ প্রযুক্তি-নির্ভর এই ড্রোন সম্পূর্ণ অটোনোমাস মোডে টেক-অফ, পূর্বনির্ধারিত রুট অনুসরণ এবং ল্যান্ডিং করতে সক্ষম, যা অপারেশনকে আরও নিরাপদ ও দ্রুততর করবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী সূত্র।

এদিকে একই ধরনের S-100 ড্রোন মিয়ানমার নৌবাহিনীও ব্যবহার করছে। প্রতিবেশী দেশটি ২০২০ সাল থেকে এ ড্রোনটি বহরে যুক্ত করে। তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে অস্ট্রিয়া তখন সরাসরি মিয়ানমারকে ড্রোনটি সরবরাহ করতে পারেনি। প্রথমে তা সরবরাহ করা হয় রাশিয়াকে; পরবর্তীতে রাশিয়ার মাধ্যমে সেটি মিয়ানমার নৌবাহিনীর হাতে পৌঁছে।

তথ্য থেকে জানা যায়, মিয়ানমার আরও আগে থেকেই এই ড্রোনটি সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়নের সময় সুইডিশ প্রতিষ্ঠান Trakka Systems মিয়ানমার সফর করে—S-100-এর জন্য ক্যামেরা সেন্সর সরবরাহ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে। তবে ওই সফর বা সেন্সর সরবরাহ নিয়ে পরবর্তীতে তেমন কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পায়নি।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়—তৃতীয় ও চতুর্থ ছবিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুক্ত হওয়া S-100 ড্রোন এবং পঞ্চম ছবিতে মিয়ানমার নৌবাহিনীর ব্যবহৃত একই মডেলের ড্রোন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা