কুবি প্রতিনিধি | ২৯ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীমকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইংরেজি বিভাগ। প্রতিষ্ঠাকালীন ইংরেজি বিভাগ থেকে প্রথম নিজস্ব উপাচার্য পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিভাগ সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এম. এম. শরীফুল করীম। এছাড়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভাগটির সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে উপাচার্যকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীমের জীবনী উপর একটি প্রদর্শিত হয়। পরবর্তী একে একে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হতে চেয়েছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষতার জায়গায় অন্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তবে নেতিবাচক নিউজে অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি রয়েছে। সেরকম একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিতে চেয়েছি। এবং এজন্য অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। এই পিছিয়ে পড়ার মাঝেও এটি একটি সম্ভাবনাময় বিশ্ববিদ্যালয়।’
আহ্বায়ক বনানী বিশ্বাস বলেন, ‘ছাত্ররা আমাদের উপাচার্যের ক্লাস মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শোনেন। তিনি শুধু একজন শিক্ষকই নন, তার মাঝে আমি ব্রাদারহুড খুঁজে পাই। আজকের প্রোগ্রামে আমরা স্যারের প্রতি সবাই পজেসিভ। আমরা খারাপ কিছু করলে সেটার ভাগ ভিসির স্যারের উপর পড়বে, আবার ভালো কিছু করলেও তার উপর পড়বে।’
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে এটাই প্রথম যে, আমরা আমাদের বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন উপাচার্য পেয়েছি। আমাদের বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ এবং উপাচার্য ছিলেন বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগীয় প্রধান। আমরা শরীফুল করীম স্যারের মতো একটা যোগ্য মানুষকে পেয়ে খুবই আনন্দিত। তিনি শুধু একজন উপাচার্য নয়, তিনি আমাদের মেন্টর, অভিভাবক, সহকর্মী এবং একইসাথে বন্ধু। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ছোট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম সারির দিকে রয়েছে। আশা করি, উপাচার্যের যোগ্যতা ও নেতৃত্বে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’