August 6, 2026, 7:54 am
শিরোনাম :
গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমির সাহসী উদ্যোগে প্রাণে বাঁচলেন মৃত্যুাপন্ন প্রসূতি জাতীয় যুবশক্তি কুতুবদিয়া উপজেলা আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ মামুনের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি ৬ দিন পর র‍্যাবের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে ৩ অপহৃত উদ্ধার মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে নির্যাতন, অপহরণচক্রের এক সদস্য উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বৃষ্টি উপেক্ষা করে লামায় জামায়াতের গণমিছিল ও আলোচনা সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে লামায় এনসিপির বিজয় মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় পিতার অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে শিশু সন্তান গুলিবিদ্ধ: পিতা আটক GPMS কর্মপরিকল্পনার আওতায় সরই ইউনিয়নে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত লামায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমির সাহসী উদ্যোগে প্রাণে বাঁচলেন মৃত্যুাপন্ন প্রসূতি

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৫ আগস্ট ২০২৬

৫ আগস্ট—জুলাই বিপ্লবের চেতনায় সাহস, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক প্রতীকী দিন। এমন একটি দিনেই চিকিৎসকের পেশাগত সাহসিকতা ও মানবিক দায়িত্ববোধের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কক্সবাজারের সুপরিচিত গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমি।

জানা গেছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে প্রসববেদনায় কাতর প্রসূতি কাজল রেখা মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। রোগীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়। তবে কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালেও তাকে ভর্তি নিতে অনীহা প্রকাশ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রামে নেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও, পথেই রোগীকে হারানোর আশঙ্কায় তারা প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

এমন সংকটময় মুহূর্তে তারা শরণাপন্ন হন গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমির। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় তিনি দ্রুত অস্ত্রোপচারের (সিজার) সিদ্ধান্ত নেন। অস্ত্রোপচারের সময় ও পরবর্তীতে রোগীকে টানা চার ব্যাগ রক্ত প্রদান করা হয় এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়।

চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, এমন অবস্থার রোগীর সাধারণত আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। কিন্তু নিরলস চিকিৎসা, দক্ষতা ও আন্তরিক পরিচর্যার ফলে ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে ফিরতে শুরু করেন কাজল রেখা।

এ ঘটনায় উপস্থিত অনেকেই ডা. আরিফা মেহের রুমির সাহসিকতা, পেশাগত দক্ষতা ও মানবিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাদের ভাষায়, “একজন মায়ের জীবন বাঁচাতে এমন সাহসী ও মানবিক চিকিৎসকই সমাজের প্রয়োজন।”

কাজল রেখার স্বামী, রাজমিস্ত্রী খোরশেদ আলম, মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে ডা. আরিফা মেহের রুমির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসকের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণেই আজ তার স্ত্রী নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন।

মানবিকতা, পেশাগত দক্ষতা ও সাহসিকতার এমন দৃষ্টান্ত চিকিৎসা সেবার প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলেই সংশ্লিষ্টদের অভিমত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা