October 6, 2026, 10:04 am
শিরোনাম :
ভালুকায় সিএনজি-অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, আতঙ্কে চালকরা দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিএনজি, অটোরিকশা থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ  আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন  চালকরা টেকনাফের ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইয়াবা কারবারিদের প্রধান ট্রানজিট – ইয়াবা সিন্ডিকেট ও অপকর্মের নেপথ্যে হেড মাঝি রফিক ও সাব্বির লামা প্রেস ক্লাবের নবগঠিত কমিটির সংবাদ সম্মেলন”যোগ্য সাংবাদিকদের সদস্যপদ দেওয়ার ঘোষণা, শান্তিপূর্ণভাবে কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয়’ লামায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নতুন কমিটিসভাপতি শফিউল আজিম, সম্পাদক নুরুল আবছার আরিফ লামায় ৫০ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ২২২ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত। “লামা প্রেস ক্লাবের নবগঠিত কমিটির সংবাদ সম্মেলন” ‘যোগ্য সাংবাদিকদের সদস্যপদ দেওয়ার ঘোষণা, শান্তিপূর্ণভাবে কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয়’ পাবনায় তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী কামরুন্নাহার কলি (১০) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা জেলের ছদ্মবেশে সীমান্ত পার, ১০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক পালংখালীতে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালাল সন্দেহভাজনরা, উদ্ধার পুরাতন পিস্তল

টেকনাফের ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইয়াবা কারবারিদের প্রধান ট্রানজিট – ইয়াবা সিন্ডিকেট ও অপকর্মের নেপথ্যে হেড মাঝি রফিক ও সাব্বির

Reporter Name

 

মাহবুব আলম মিনার | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকনাফের ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইয়াবা কারবারিদের প্রধান ট্রানজিট নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে এই ক্যাম্প টি। ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পটির রাতের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় দুই মাঝির বড় ইয়াবা সিন্ডিকেটের হাতে, ইয়াবা কারবারের টাকায় অনলাইন জোয়া ও নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে এই ক্যাম্পের অনেক যুবক। এই ক্যাম্পের শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে হেড মাঝি রফিক, রফিক মাঝির নিয়ন্ত্রণে আরেক সিন্ডিকেট পরিচালনা করে মাঝি সাব্বির।
সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পের নিয়ন্ত্রণ প্রায় তাদের হাতে চলে যায়। ক্যাম্পে প্রশাসনের অবস্থান কোন জায়গায় তা দেখতে তাদের রয়েছে আরেক টি টিম। হেড মাঝি রফিক প্রতিনিয়ত মাঝি কার্যক্রমের কাজ কর্মে ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসে যাতায়াত করে, ক্যাম্প ইনচার্জের কাছে তাদের বিরুদ্ধে বিচার দেওয়া বা আবেদন করার সাহস কেউ করতে পারে না। তাদের সিন্ডিকেটের ভয়ে সাধারণ নারী পুরুষ মুখ খুলে না। প্রশাসন কে তাদের বিরুদ্ধে কিছু জানালে রাতে চলে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন, যার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে নারাজ।
পুরো ক্যাম্প কে জিম্মি করে রেখেছে হেড মাঝি রফিকের সিন্ডিকেট। তাদের ইচ্ছে মতে বিয়াও করে একাদিক, সুন্দর নারী দেখলে তাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে বিয়ে করে, ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইয়াবা কারবারিদের স্ত্রীর সংখ্যা প্রতিজনের ২ থেকে ৩ জন দাড়িয়ে। এইসব নারীরা কেউ তাদের ইচ্ছে বা রাজিতে বিয়ে করেনি, জোরপূর্বক এমন অনেক নারী কে বিয়ের নামে নষ্ট করেছে সন্ত্রাসীরা। সম্প্রতি হেড মাঝি রফিকের বিরুদ্ধে রয়েছে ৬ টি নারীকে নষ্ট করার অভিযোগ, অবিবাহিত কয়েকজন নারী প্রতিবেদক কে জানান – আমাদের জীবন রয়েছে বিয়ে করতে হবে তাই নিজের অনেক কিছু ক্যামরার সামনে বলতে পারছি না, আমাদের কে নষ্ট করেছে এমন কথা জানলে কেউ আমাদের বিয়ে করবে না, তাই কষ্টের কথা গুলো আপনাকে ক্যামরার বাহিরে বলছি, আমরা হেড মাঝি রফিকের উপযুক্ত শাস্তি চাই, তার সিন্ডিকেটের জ্বালাযন্ত্রণায় আমরা না পারছি মরতে না পারছি নিজ দেশে চলে যেতে, আমরা বন্ধি জীবনে রিফিউজি লাইভ পার করতেছি।
মিয়ানমারের মিলিটারির নির্যাতন জুলুম থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিলাম কিন্তু আসার পর কয়েক বছর ভাল থাকেও আমাদের উপর শুরু হয় নিজ জাতি গোষ্ঠীর যুবকদের ও ইয়াবা কারবারিদের অসহ্য নির্যাতন। অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কিছু বলা যায় না, প্রশাসনের জনবল যেখানে দিনে আমাদের কে নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাচ্ছে সেই খানে রাতে কিভাবে নিরাপত্তা দেবে। রাতে বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ করে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা, এইভাবে অনেক কথায় জানান ভুক্তভোগীরা।
রফিক মাঝির অত্যাচারে নিজ ঘর সংসার ভেঙ্গে পড়ায় আরেক নারী সরাসরি ক্যামরার সামনে মুখে খুলেছেন – সে জানান আমাকে রফিক মাঝি নিয়মিত বাড়িতে গিয়ে জিম্মি করেছে, বলে তুর স্বামী বিদেশে এইখানে এসে কিছু করতে পারবে না, তুকে আমার পছন্দ হয়েছে বিয়ে করব, বিয়ের আগে তুর সাথে গোপন সম্পর্ক রাখব পরে সময় নিয়ে বিয়ে করব, এমন কথা বলে জিম্মি করে ১০ থেকে ১২ বার কক্সবাজারের ভিবিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে ভোগ করেছে। পরে তার স্বামী জেনে তার ঘর সংসার টি ভেঙ্গে যায় বলে জানান, এরপর রফিক মাঝি কে বিয়ের কথা বললে সে আমাকে হত্যা করার হুমকি দেয় বলে জানান, একপর্যায়ে নারীটি তার জীবন বাঁচাতে ও রফিক মাঝির নির্যাতন গুলি থেকে প্রাণে বাঁচতে ক্যাম্প ছেড়ে গ্রামে আশ্রয় নেয়। সেখানে নিরাপত্তা নেই, যেকোন সময় রফিক মাঝি তাকে তুলে নিয়ে হত্যা করবে এমন হুমকি দিচ্ছে বলে জানান, নারী টি ক্যামরা সামনে যতটুকু মুখ খুলেছে, তার চেয়ে বেশি ক্যামরার বাহিরে প্রতিবেদক কে জানিয়েছে।
ক্যামরার সামনে আরেক নারী বললেন, রাতে হেড মাঝি রফিকের ইয়াবা সিন্ডিকেটের গুলাগুলিতে আমরা রীতিমতো আত্বঙ্কে। তথ্য সূত্রে বলছে রফিক মাঝির সিন্ডিকেটের সাথে আরেক সিন্ডিকেটের ইয়াবার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বাড়াবাড়ি হয় পরে রাতে গুলাগুলির ঘটনা ঘটে, তখন এইনারীর বাড়িতে এসে পড়ে একটি গুলি, মুহুর্তে ঘুম ভেঙে আত্বঙ্কে পড়ে যায় পুরো পরিবারের সদস্যরা, এইভাবে রাতের নিয়ন্ত্রণে ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সহ বেশ কয়েক টি ক্যাম্প চলে যায় অস্ত্রধারী ইয়াবা কারবারিদের নিয়ন্ত্রণে।
এই রফিক মাঝি কৌশলে অর্থের বিনিময়ে মাঝির দ্বায়িত্ব টি নিয়েছে, মূলত তার ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে ও প্রশাসনের গতিবিধি সিন্ডিকেট কে জানাতে সে নিয়মিত প্রশাসনের সাথে যোগাযোগও বজায় রাখেন। ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রফিক মাঝির নিয়ন্ত্রণের বাহিরের সিন্ডিকেটের লোকজনের তথ্য প্রশাসন কে দেয় – তার নিজস্ব লোকজনের তথ্য সম্পূর্ণ প্রশাসনের নজরের বাহিরে রেখে দেয়। ইয়াবা কারবারিদের মজবুত টিম নাফ নদীর এপারওপার মিলিয়ে রয়েছে রফিক মাঝির নিয়ন্ত্রণে।
ভুক্তভোগী ঘর সংসার ভেঙ্গে পড়া এক নারী রফিক মাঝির বিরুদ্ধে মুখ খুলায় তার বিরুদ্ধে একে একে অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সর্বশেষ যে নারীটি তার বিরুদ্ধে তার অপকর্মের কথা সাংবাদিকদের বলেছেন সেই নারীরও আজ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে রফিক মাঝির অত্যাচারের ভয়ে। এখন প্রশ্ন ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এত অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে, নারীদের অত্যাচার করেও কিভাবে মাঝির দ্বায়িত্বে বহাল রয়েছে এই বদমাশ হেড মাঝি রফিক।
এই হেড মাঝি রফিক বদমাশের যৌবনের জ্বালা নাকি এতবেশি যে, মাঝে মাঝে উলঙ্গ হয়ে নিজের নুনু বা লজ্জা স্থান ভিডিও করে তার কাছে ব্যবহার হওয়া নারীদের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠায়, সে এইটাই বিশ্বাস করে যে তার ভিডিও ভয়ে তারা কোথাও দেখাবে না। বদমায়েশের এই অপকর্ম আর পাপের মাত্রা এইতই বেড়ে গেছে অবশেষে তার ভিডিও চলে এসেছে প্রতিবেদকের হাতে
তার বিষয়ে জানতে ২২ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জ সিআইসি কে মোটোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি জানান – তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্তা নেওয়া হবে ()
এদিকে প্রত্যাবাসনের পক্ষে কাজ করা রোহিঙ্গা যুবকরা জানান, ক্যাম্পে অপকর্মে লিপ্ত থাকা মাঝির দ্বায়িত্ব থেকে সরি নেওয়া, ইয়াবা কারবারে লিপ্ত এইসব আরাকান আর্মির দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্তা নিতে দাবী জানান। রফিক মাঝির একান্ত ইয়াবা কারবারে সহযোগী তার আরেক আপন বন্ধু সাব্বির মাঝি, ইয়াবার টাকায় বড় দোকানের ব্যবসা করে, প্রশাসনের নজর থেকে বাঁচতে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে হয়েছে হেড মাঝি, সিআইসির আশেপাশে কাজ করা লোকেরাই তাকে টাকার বিনিময়ে নিয়ে এসেছে হেড মাঝির দ্বায়িত্বে যা সিআইসি মোটেও বুজে উঠতেও পারেনি। হেড মাঝি রফিকের ইয়াবা সিন্ডিকেটের সমস্ত টাকা জমা রাখে হেড মাঝি সাব্বিরের কাছে, বড় দোকানের ব্যবসায়ি হিসেবে যাতে কেউ তার অপকর্মে বুজে উঠতে না পারে এই কৌশল অবলম্বন করে সাব্বির মাঝি। এইসব অপকর্মকারী ইয়াবা কারবারি ও অস্ত্রধারীদের কারণে দিন দিন রোহিঙ্গা হয়ে উঠেছে অপরাধের স্বর্গরাজ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা