মাহবুব আলম মিনার – সম্পাদক কক্সবাজার
কক্সবাজারে পর্যটন মৌসুম না থাকায় শহরের ৫ শতাধিক হোটেলের অধিকাংশ কর্মী বর্তমানে কর্মহীন অবস্থায় ছুটিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার। সীমিত জনবল দিয়ে হোটেলগুলো চালু রেখে এই সময়ে মেরামত, রঙ করানোসহ প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। ঈদের সময় কর্মীরা কাজে ফিরবেন বলেও তিনি জানান।
এদিকে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরতে যাওয়া কিছু ট্রলার বালিয়াড়িতে নোঙর করে আছে; রঙিন সাজে সেগুলো পর্যটকশূন্য সৈকতে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বালিয়াড়িতে বেড়েছে ‘রেলরোড ভাইন’ নামে পরিচিত সাগরলতা, যা বালুর ক্ষয়রোধ ও বালিয়াড়ি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্ভিদ সৈকতের সুস্থতার পরিচায়ক এবং উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রের অগ্রপথিক।
স্থানীয় এনজিও কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বলেন, প্রতিদিনের হাঁটায় সাগরলতার বিস্তার তাকে মুগ্ধ করে। শৈশবে সৈকতের উপরিভাগজুড়ে সাগরলতা দেখা গেলেও এখন তা তুলনামূলক কম- তবে অফসিজনে এগুলোই বাড়িয়ে দেয় সৈকতের নান্দনিকতা।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের আশা, ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকেই পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে এবং নতুন মৌসুমের সূচনা হবে। স্থানীয়দের দাবি, বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ এই সমুদ্র সৈকতের স্বকীয়তা বজায় রাখতে আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রকৃতি সংরক্ষণে যুগোপযোগী উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।